স্বাস্থ্য আমাদের অমুল্য সম্পদ।এই স্বাস্থ্য ভালো রাখতে হলে আমাদের অনেক দিকেই খেয়াল রাখতে হয়।আমরা অনেকেই মনে করি বেশি দামি খাবার খেলেই মনে হয় স্বাস্থ্য ভালো থাকে বা শরির সুস্থ্য থাকে এটি আসলে একেবারেই সঠিক না।আজকে আমরা কয়েকটি ধাপ নিয়ে আলোচনা করবো যার থেকে আপনি সহজেই শরিরকে সুস্থ্য রাখতে পারবেন।শরির সুস্থ্য মানে মনও সুস্থ্য।
নিজের মনের ইচ্ছার দিকে নজর দিতে পারেন
যেমন আপনি আপনার মনকে সময় দিন।মন কি বলে তা বোজার চেষ্টা করুন।হয়তো এমন হলো আপনার মন চাচ্ছে একটা আর আপনি করছেন আরেকটা তাতে কিন্তু আপনার শরির খারাপের দিকে যাবেই নিশ্চিত।তাই আপনাকে সবার আগে আপনার মনকে জানুন।
ড. স্যামি বলেছেন আত্নসচেতনা এমন একটা জিনিস যা মানুষের নিজের আবেগ,অনুভুতি এবং ইচ্ছা অনিচ্ছা অনেকভাবে চিনতে সহায়তা করে।
তিনি আরো বলেন নিজের অনুভুতিকে চেনার মধ্য দিয়ে মানুষ তার স্বাস্থ্য সুরক্ষা রাখতে পারে।
মানুষ যততার মনকে প্রাধান্য দিবে তত মানুষ তার শরির সুস্থ রাখবো।
কুকুর পুষতে পারেন
সকাল বেলা দৌড়ানো বা জিমে যাওয়ার ক্ষেত্রে কুকুর আপনার সঙ্গী হতে পারে।অর্থাৎ সকাল বেলা একা দৌড়ালে মন প্রফুল্ল থাকবেনা তখন যদি আপনি একটা কুকুর নিয়ে দৌড়ান দেখবেন আপনার মন আরো প্রফুল্ল হবে।
বিদেশের মানুষরা বেশিরভাগ কুকুর পুষেন এর প্রধান কারন হলো তারা যখন কুকুরকে নিয়ে বাহিরে হাটেন তখন তাদের শরিরের ব্যয়াম হয় যার ফলে তার শরিরও সুস্থ্য থাকে।
সপ্তাহে রুটিন মাফিক সবজি ও ফল ফলাদি খান
আপনি প্রতি সপ্তাহে একটি খাবারের রুটিন তৈরি করেন।যেখানে আপনি মাছ মাংশের পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি তালিকায় রাখতে পারেন প্রতিদিন আপনি বিভিন্ন ধরনের শাকসবজি খেতে পারেন যার ফলে আপনার শরিরে বিভিন্ন ধরনের ভিটামিনের অভাব পুরন হবে অপরদিকে প্রতিদিন আপনি কিছু ফলফলাদি তালিকায় রাখতে পারেন যেমন আপেন,মাল্টা,আঙ্গুর ইত্যাদি।
বেশি করে হাসার চেষ্টা করুন
বিভিন্ন বিজ্ঞানীরা বলেছেন সুখি থাকতে পারলেই তার শরির সুস্থ্য থাকবে।এখন প্রশ্ন করতে পারেন সুখি হওয়া কি এতোই সহজ?আসলে আপনি যত হাসবেন তত আপনি সুখি হবেন।কেননা হাসার মাধ্যমেই ফুটে উঠে আপনি কতটা সুখি।আর সুখি থাকা মানেই আপনার শরির,স্বাস্থ্য ভালো থাকে।
পর্যাপ্ত পরিমানে প্রতিদিন ঘুমান
একজন মানুষের প্রতিদিন রাত-দিন মিলিয়ে ৬-৮ ঘন্টা ঘুমানো উচিত।আপনি যদি একটানা পরিমাপ মতো না ঘুমান তবে আস্তে আস্তে আপনার শরিরের অবনতি হবে।তাই পর্যাপ্ত পরিমানে ঘুমানোর চেষ্টা করবেন।

