নিজস্ব প্রতিনিধি
দেশে সয়াবিন তেল সহ নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম লাগামহীন ভাবে বেড়ে চলেছে।নিয়মিত বাজার মনিটরিং না করার কারনে বাজারে এসব পন্যের দাম বাড়িয়েছে বলে জানান ক্রেতারা।
সোমবার (২১ মার্চ) টিসিবির গাড়ি দেখেই ছুটে আসেন নিম্ন আয়ের মানুষেরা।চোখের সামনে জটলা দেখে সামনে আগাতেই দেখি টিসিবির পন্য নিতে শত শত লোক এসেছে।দীর্ঘ লাইনের সারি তার ভিতরে চৈত্রের রোদ।এ যেনো তেল নিতে এসে নিজের শরির থেকেই বয়ে বেড়াচ্ছে তেল (ঘাম)।
বলছিলাম মরিয়ম বেগমের কথা ২২০ টাকা বাচাতে হিসেব করে জানালেন অসুস্থ শরীরে পাচ ঘন্টা লাইনে দাড়িয়েও টিসিবির পন্য নিতে পারছেন না।বিরবির করে বললেন আগে জানলে টিসিবির কার্ড করাতাম না।মরিয়ম বেগম হিসেবে খুব কড়া তিনি আঙ্গুল ধরে হিসেব করলেন বাজারে সয়াবিন তেলের দাম ১৬০ টাকা,ডাল ১০০ টাকা এবং চিনি কেজি প্রতি ৮০ টাকা।আর অপরদিকে টিসিবিতে ২ লিটার সয়াবিন তেল,দুই কেজি ডাল এবং দুই কেজির চিনির দাম একত্রে ৪৬০ টাকা আর দোকান থেকে এই পরিমান জিনিস আনতে খরচ হতো ৬৮০ টাকা।সে হিসেবে ২২০ টাকা বেচে গেলো।
এ দিকে ঢাকার বিভিন্ন মোড়ে মোড়ে টিসিবির গাড়ি দেখলেই সবাই হুমড়ি খেয়ে পড়ছেন।লাইন দীর্ঘ হচ্ছে,ঘন্টার পর ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে আছেন তাও নিরাস হচ্ছেন না এই টিসিবির পন্য নিতে আসা ক্রেতারা।
কথা হয় আবুল মিয়ার সাথে।হাতে বাজারের ব্যাগ আর ব্যাগ দিয়েই বারবার শরিরের ঘাম মুচছেন।কাছে যেতেই জানতে চাইলাম কি জন্য এসেছেন বড় আক্ষেপ করে বলেন ঘরে ৪ সদস্যের পরিবার।দৈনিক আয় ৩০০-৫০০ টাকা কখনো কখনো কাজ বন্ধ থাকে।এদিকে ৩০০ টাকায় বাজারে গেলে কোনো মতে হিসাব মিলাতে পারেন না।চাল কিনলে তেল কিনতে পারেন না আবার তেল কিনলে ডাল কিনতে পারেন না।আর মাছ মাংস তরকারিতো দুরের কথা।তাই এখানে এসেছি কম দামে পাবো বলে।কিন্তু দীর্ঘ লাইন প্রচুর রোদ তাই শরির থেকেই তেল পড়ছে।
