নিজস্ব প্রতিনিধি
প্রেমিকার স্বপ্নকে সত্যি করার জন্য গত ৯ ই মার্চ উভয় পরিবারের সম্মতিতে হাসপাতালেই বিয়ে করেন প্রেমিক।কিন্তু প্রেমিকার সেই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিনত হয়ে প্রেমিককে ফেলে একাই চলে গেলেন চিরবিদায় নিয়ে।ক্যান্সারের কাছে হেরে গেলেন ফাহমিদা।
বলছিলাম চট্টগ্রামের ক্যান্সারে আক্রান্ত ফাহমিদার কথা।চট্টগ্রামের ফাহমিদার ২০২০ সালেরর জানুয়ারীতে শরিরে মরনব্যাধী ক্যান্সারের বাসা বাধে।তারপর থেকে ফাহমিদার জিবনে নেমে আসে দুঃখ।ক্যান্সারে সব এলোমেলো করে দেয়।বিয়ের কথা বার্তা চলছিলো ২০১৯ সাল থেকেই কিন্তু ক্যান্সারে সব লন্ডভন্ড করে দেয়।এর পর দীর্ঘ ২ বছর ধরে চলতে থাকে তার চিকিৎসা।হাসপাতালের বেডে শুয়ে ফাহমিদার স্বপ্ন ছিলো তিনি তার প্রেমিক মাহমুদুলের সঙ্গে ঘর বাধবেন।তার স্বপ্নকে পুরন করার জন্য গত ৯ ই মার্চ হাসপাতালে বসে পরিবারের সম্মতিতে তাদের ১ টাকা কাবিনে বিয়ে হয়।আজ ২০ ই মার্চ চট্টগ্রামের বেসরকারি হাসপাতাল মেডিকেল সেন্টারে মারা যান ফাহমিদা।তথ্যটি নিশ্চিত করেন মেডিকেল সেন্টারের জেনারেল ম্যানেজার শাহ আলম ভুইয়া।
ফাহমিদার চাচা বলেন বিয়ের দিন ফাহমিদাকে বাসায় আনি তারপর আবার ১৫ ই মার্চ ফাহমিদাকে হাসপাতালে ভর্তি করাই।গতকাল রবিবার তার শারিরীক অবস্থা খারাপ হলে তাকে আইসিউতে নেওয়া হয়।পরে আজ সকালে তিনি মারা যান।
ফাহমিদার মরদেহ তার নিজ বাড়ি চট্টগ্রামের দক্ষিন বাকলিয়ায় তাদের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হবে।
প্রেমিক মাহমুদুল কান্নাজড়িত কন্ঠে বলেন প্রেম জিবনে কখনো প্রেমিকা ফাহমিদাকে কষ্ট দেইনি।যখন ফাহমিদা হাসপাতালে শুয়ে থাকতো আমি ফাহমিদার বেডের পাশে সারারাত শুয়ে থাকতাম।কখনো এক বিন্দু ভালোবাসা কমেনি তার প্রতি।সর্বশেষ প্রেমিকা ফাহমিদার ইচ্ছায় তাকে বিয়ে করি আজ সব ছেড়ে চলে গেলো দুর আকাশে।আর কখনো আমাদের সংসার বাধা হবেনা এসব বলতে বলতে কেদে ফেলেন মাহমুদুল।
