পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, নিজ বাড়ি মহিষেরচর থেকে ছোই ভাই রাফফান ও বাবা জাহাঙ্গীর মাতুব্বরের সাথে ভ্যানে পাশের জাগরণী ফাউন্ডেশন থেকে পরিচালিত স্কুলে যাচ্ছিল আয়েশা।
এ সময় আয়েশা, ভ্যানচালক বাবা জাহাঙ্গীর ও সাথে থাকা ৪ বছরের রাফফান গুরুতর আহত হয়। স্থানীয়রা তাদেরকে উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করে। হাসপাতালে ভর্তির
কিছুখন পর মারা যায় গুরুতর আহত আয়েশা।
অবস্থার অবনতি হলে রাফফানকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ফরিদপুর মেডিকেল কলেজে পাঠানো হয়েছে বলে মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার মো. সাইফুল ইসলাম জানান, গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে আসার কিছু সময় পর মারা যায় আয়েশা।
এদিকে ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন মাদারীপুর সদর থানার ওসি মোঃ কামরুল ইসলাম মিয়া। তিনি আরো বলেন, নিহতের মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য জেলা সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এ সড়কে প্রায় প্রতিনিয়ত সড়ক দুর্ঘটনায় সর্বস্তরের মানুষ উদ্বিগ্ন।

